❑ আহমেদ তানভীর
ছোট ছোট কাব্যকথা। আহা, কী যে মধু! মনে হয়— “জামাজুড়ে শুধু মধু ও মহুয়ার ঘ্রাণ৷”
এই কবিতাবইয়ে আহামরি কিছু নেই। আবার এমন কিছু আছে যা আর কোথাও নেই। তাইতো— “কী বলি-কার কাছে বলো, সকলই সকল”৷
শব্দবুনন আর বয়ানভঙ্গি বুঁদ করে রাখে দীঘল সময়ব্যাপী৷
“চারদিকে রোজ ঘন হয়ে ফোটা অন্ধকার পেরিয়ে
আমাকে বাড়ি ফিরতে হয়। আর এর মাঝে যদি
এরকম হতো, বাড়িটাই আসতো আমার দিকে
তাহলে এর অধিক, ঝড়-বাদলের রাতও
কী সুসজ্জিত শোভন প্রেমে কাটিয়ে দেয়া যেত!”
(লিখিত রাত্রি ৮)
সাম্য রাইয়ান চলনে-বলনে ও মননে কবি বটে; জীবনের হিসাব-নিকাশ বোঝাপড়া তবু তার পাকা চিন্তকের মতো৷ কেননা তিনি তার সৃজনকর্মে প্রতিভাত করেছেন এমন সব ভাবনার বিন্দু-কণা— সব দেখেশুনে বোধ জাগে— একজন কবি অতি অবশ্যই জীবনের নিবিড় পর্যবেক্ষক৷ অবশেষে পাঠকমনও কবির সঙ্গে একাত্ম হয়— ভাবে— “ফিতে বাঁধাটাই শেখা হলো না জীবনজুতোর৷« পাঁচ পংক্তি বিশিষ্ট ছোটছোট কাব্য— মোট পঞ্চান্নটি৷ পড়তে গিয়ে ঝিমিয়ে পড়া মন জেগে ওঠে৷ ভালোবাসে জীবনকে— ঘৃণাও করে জীবনকে৷ কবিকে ভালোবাসা৷
মনমানচিত্র পত্রিকার সাম্য রাইয়ান সংখ্যায় প্রকাশিত৷