মৃত্যুপূর্ব গান

❑ সাম্য রাইয়ান

অনন্ত ঘুমের ভেতরে আমি ঢুকে গেলাম, অসামান্য প্রেমের চোরাস্রোতে; বিলুপ্ত জীবাশ্মের বুকের উপরে বসে, ধূসর অন্ধকারে দেখা হলো তোমার সাথে। বলি, কেমন আলোর ধারা তুমি, ছায়া মাড়িয়ে চলে যাও!

— স্পর্শশীল প্রজাপতি জানে না কার চোখে ঘুম।

—হারানো পরীর ডানা খুলে রাখো জয়ন্তিকা।

— গুটিকয় ঢেউ কী প্রকারে ভারি হয়ে আছে জুতার পৃথিবীতে!

— জীর্ণ নীলের ভিতরে প্রলয়, শান্তপাহাড়। কিছুটা অবাক।

— অনির্দিষ্ট জন্মের দিকে কিছু মৃত্যু ছুঁড়ে দিও সত্যিকারের ফুল।

— অবাক বনসাই তোমাকে ধারণ করেছে অধিক আশ্চর্যে।

— তিনটে বাজে মৌ, শীতরাত্রি আজ, হল্লা হবে না কোথাও।

— তামাক ফুলের বাগান ছিলো অন্তিম অরণ্যে একা!

— শান্ত একটা কোলাহল ছেয়ে যাচ্ছে বার্ধক্যবিলাসে।

— মুছে যেতে যেতে মৃদু হাসি হয়ে ঝুলে আছো উত্তাল হাওয়াঘর।

— অবাক, অবাক হও; দ্বিধাহীন ঢেলে দিচ্ছি পাতে দূরের বনবিড়াল।

— কমলার জ্যান্ত জোঁক উদ্বেলিত ভালবাসার মতোই মিলিয়ে যাচ্ছে!

— ঈষৎ কাৎ হয়ে থাকা মৌনতা মেলে ধরে দমকলের আলো।

— সামান্য প্রেমের দিকে ধাবিত পাখিদের সমস্ত গমন।

— তারকার তরঙ্গরাশি থেকে চাপা আর্তনাদের সাথে কারা ঝরে পড়ে!

— মাঝে মাঝে এক-দুইটা মধ্যরাত দেয়ালে গেঁথে রাখি।

— ভাসমান বাঈজীর হৃদয়ে নিস্ফল উদ্বেগ গাঢ় হয়ে আসছে।

— তুমি দ্যাখো নাই ওইখানে, নিরস্ত্র নাভির দিকে বহমান রাতের সংগীত।

— অ্যাশট্রে ভারি হয়ে আছে প্রস্তরিত কূটাভাসে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *